অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে সাধারনত পণ্য বিক্রি করে কিছু কমিশন
প্রাপ্তিকে বোঝানো হয়ে থাকে। আমাদের দেশে এ ধরনের ব্যবসা করছে অনেক
প্রতিষ্ঠান।বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে যতগুলো আয়ের পন্থা সম্পর্কে আমরা
জেনেছি, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং তাদের মধ্যে অন্যতম। ভাল মানের একজন ব্লগার
এ মাধ্যম থেকে প্রচুর পরিমান অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম। ভাল মানের একজন
ব্লগারই পারে প্রচুর পরিমান ভিজিটর বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করতে।
Amazon বেশ ভাল মানের এবং নির্ভরযোগ্য একটি সাইট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর
ক্ষেত্রে । বিশ্বের অনেক ব্লগার এই সাইটের পণ্য মার্কেটিং করে প্রচুর
পরিমান অর্থ উপার্জন করছে। এ সাইটের পণ্য বিক্রি করতে পারলে ১৫% কমিশন
পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১০০ টাকার একটি পণ্য বিক্রি হলে আপনি পাবেন ১৫ টাকা।
এটি ব্যবসায়ের অন্যতম একটি সম্ভাবনাময় খাত।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য করণীয়
১. প্রথমে পেইড ডোমেইন বা ফ্রি ডোমেইন এর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট খুলে একটি ইউনিক আর্টিকেল পোষ্ট করতে হবে।
২. সাইটের টোটাল ভিজিটরের পরিমান বৃদ্ধির জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।
৩. ফোরাম পোষ্টিং, কমেন্ট পোষ্টিং এবং এসইও’র এর কাজগুলো ধারাবাহিক ভাবে নিয়মিত করতে হবে।
কারণ ভিজিটর বৃদ্ধির জন্য এসইও’র এর কোন বিকল্প নেই।
৪. ভিজিটরের নিয়মিত আপডেট দেখে দেখে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
ব্লগে Amazon.com এর পণ্য যুক্ত করতে করণীয়
১. প্রথমে www.amazon.com সাইটে সঠিক নাম-ঠিকানা দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।
২. সাইটের Make Money with Us অপশন থেকে এসোসিয়েট হিসেবে যোগদান করার পর একটি আইডি আপনার জন্য নির্দিষ্ট করা হবে, সে আইডিটি সংরক্ষণে রাখতে হবে।
৩. আপনার প্রদানকৃত সকল তথ্যের পর্যালোচনা শেষে ১-৩ কার্যদিবসের মধ্যে আপনাকে একটি মেইল পাঠানো হবে এবং স্পেশাল একটি পেজে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে।
৪. মূল পেজে প্রবেশের পরে Get started now বাটনে ক্লিক করে দেখে নিন সকল নিয়ম কানুনের আপডেট।
৫. এবার এ সাইট থেকে প্রডাক্ট এর লিঙ্ক (এইচটিএমএল কোড) সংগ্রহ করে আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটে ব্যবহার করুন। এরপর যারাই আপনার প্রদত্ত লিঙ্ক থেকে পণ্য সংগ্রহ করবে আপনি পাবেন মোট পণ্যমূল্যের ১৫%।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য করণীয়
১. প্রথমে পেইড ডোমেইন বা ফ্রি ডোমেইন এর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট খুলে একটি ইউনিক আর্টিকেল পোষ্ট করতে হবে।
২. সাইটের টোটাল ভিজিটরের পরিমান বৃদ্ধির জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।
৩. ফোরাম পোষ্টিং, কমেন্ট পোষ্টিং এবং এসইও’র এর কাজগুলো ধারাবাহিক ভাবে নিয়মিত করতে হবে।
কারণ ভিজিটর বৃদ্ধির জন্য এসইও’র এর কোন বিকল্প নেই।
৪. ভিজিটরের নিয়মিত আপডেট দেখে দেখে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
ব্লগে Amazon.com এর পণ্য যুক্ত করতে করণীয়
১. প্রথমে www.amazon.com সাইটে সঠিক নাম-ঠিকানা দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।
২. সাইটের Make Money with Us অপশন থেকে এসোসিয়েট হিসেবে যোগদান করার পর একটি আইডি আপনার জন্য নির্দিষ্ট করা হবে, সে আইডিটি সংরক্ষণে রাখতে হবে।
৩. আপনার প্রদানকৃত সকল তথ্যের পর্যালোচনা শেষে ১-৩ কার্যদিবসের মধ্যে আপনাকে একটি মেইল পাঠানো হবে এবং স্পেশাল একটি পেজে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে।
৪. মূল পেজে প্রবেশের পরে Get started now বাটনে ক্লিক করে দেখে নিন সকল নিয়ম কানুনের আপডেট।
৫. এবার এ সাইট থেকে প্রডাক্ট এর লিঙ্ক (এইচটিএমএল কোড) সংগ্রহ করে আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটে ব্যবহার করুন। এরপর যারাই আপনার প্রদত্ত লিঙ্ক থেকে পণ্য সংগ্রহ করবে আপনি পাবেন মোট পণ্যমূল্যের ১৫%।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য আপনি Neteller ( http://goo.gl/ZD1R2Q ) অথবা Skrill ( https://account.skrill.com/signup?rid=35134452 ) ব্যবহার করে দেখতে পারেন ,এ দুটি অনলাইনের সবচেয়ে নিরাপদ পেমেন্ট সিস্টেম । Neteller এর ক্ষেত্রে আপনার wave site থাকতে হবে যেখানে Neteller থেকে প্রাপ্ত ব্যানার ব্যাবহার করে আপনি client পেতে পারেন । Skrill এর ক্ষেত্রে আপনার wave site না থাকলে ও চলবে ।
উত্তরমুছুন